Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৯ জ্বিলক্বদ ১৪৪১

বালাগঞ্জ হাসপাতালের ২জন স্টাফসহ ৩ জনের করোনা পজেটিভ

 প্রকাশিত: ১১, জুন - ২০২০ - ০৫:৫৫:৩৬ PM

 
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন অফিস সহকারী, একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী এবং বালাগঞ্জ সরকারি কলেজের কম্পিউটার অপারেটরের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে।বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদ (করোনার বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য প্রদানকারী) শুক্লম্বর নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
কম্পিউটার কাম অপারেটরের বাড়ি ওসমানীনগর উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামে হলেও জাতীয় পরিচয় পত্রে তার বাড়ির ঠিকানায় বালাগঞ্জ ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রাম উল্লেখ রয়েছে।
 
জানা যায়, কম্পিউটার কাম অপারেটরের করোনা উপসর্গ সন্দেহে ৩জুন বালাগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তিনি নমুনা দেন। সংগৃহিত নমুনা ঢাকার ল্যাবে প্রেরণ করা হয়। ১১জুন সকাল ১০টার দিকে ঢাকা থেকে পাঠানো রিপোর্টে তার করোনা পজেটিভ আসে।
 
এদিকে নমুনা প্রদানের ৯দিন পর রিপোর্ট আসার বিষয়ে নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক সচেতন ও শিক্ষিত জনরা বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরী জেনে না জেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাংবাদিকদের বিব্রত করার চেষ্টা করছেন।কম্পিউটার কাম অপারেটর বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা প্রদান করেছেন বালাগঞ্জে তার স্থায়ী ঠিকানাও উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এরপরও বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর উপজেলার স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা আক্রান্তের তালিকায় যৌথভাবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
 
এমনকি তার করোনা পজেটিভ আসার বিষয়ে ওসমানীনগর স্বাস্থ্য বিভাগের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। একজন মানুষের নাম দুই উপজেলার তালিকায় কিভাবে আসে- এনিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
 
এবিষয়ে বালাগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ লিয়াকত শাহ ফরিদী বলেন, আমার কলেজের কম্পিউটার কাম অপারেটরের শারীরিক অবস্থা ভাল আছে। তবে নমুনা প্রদানের ৯দিন পর রিপোর্ট আসায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। কম সময়ে রিপোর্ট প্রদানে সংশ্লিষ্টদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।
 
উল্লখ্যে, এর আগে ২জুন বালাগঞ্জে একজন সরকারি কর্মকর্তা ও ৮জুন একজন মহলিার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে।
Top