Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে গণধর্ষণ

 প্রকাশিত: ০১, জুন - ২০২০ - ১০:২১:৪৪ PM


নিজস্ব প্রতিবেদক ::
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের মাহতাবপুর এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ঈদুল ফিতরের দিন (২৫মে) রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। এব্যাপারে ভিকটিম কিশোরীর পিতা বাদি হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখ ও আরো কয়েক জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে ১ জুন বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১।

মামলায় অভিযুক্তরা হলো- লামাকাজী ইউনিয়নের বশিরপুর গ্রামের আশিক মিয়ার ছেলে মিজান (২০), একই গ্রামের বারিক মিয়ার ছেলে ইমন আহমদ জসিম (২১) ও আব্দুল মিয়ার ছেলে আফিজ (২০)।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে কিছুদিন পূর্বে ভিকটিম কিশোরীর সাথে অভিযুক্ত মিজানের পরিচয় হয়। সেই সুবাদে মিজানের সাথে মোবাইল ফোনে প্রায়ই কথা হতো ওই কিশোরীর। ঈদুল ফিতরের দিন (২৫মে) দিবাগত রাত ১২টায় কিশোরীকে ফোন করে দেখা করতে বলে মিজান। তখন ওই কিশোরী ঘর থেকে বের হলে মিজান ও তার সহযোগী জসিম-আফিজসহ আরো কতেক যুবক তাকে ঝাপটে মুখ চেপে ধরে। এরপর তারা কিশোরীকে বাড়ির পার্শ্ববর্তি নির্জন স্থানে (সরকারি পুকুরের পাড়ে) নিয়ে যায়। জোরপূর্বক নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে সজ্ঞাহীন করে সারা রাত পালাক্রমে পাশবিক নির্যাতন করা হয়।

ভোরে ঘটনাস্থলের পাশ্ববর্তি বাড়ির বাসিন্দা করুনা চন্দ্র মেয়েটিকে উলঙ্গ, রক্তাক্ত ও সজ্ঞাহীন অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে ডেকে তুলে পরিচয় জানতে পারেন। এসময় তিনি তার ঘর থেকে কাপড় এনে কিশোরীর শরীর ঢেকে তার নিজ বাড়িতে পৌছে দেন। বাড়িতে ফেরার পর তার কাছ থেকে বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানার পর তারা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেন। এরপর ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকে স্থানীয় মাতব্বরেরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভিকটিমের পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন বাদী।

মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ ওসি শামীম মুসা বলেন, ডিবি পুলিশ মামলাটি তদন্ত করবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Top