Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, রবিবার, ০৭ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

ফাঁকা নগরে বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষজন

 প্রকাশিত: ২৬, মার্চ - ২০২০ - ০৭:২০:১৬ PM

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুব প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলে অনেকটা আতঙ্ক নিয়ে কাজ শেষ করেই ঘরে ঢুকছেন লোকজন। গাড়ি চলাচলও কম, ঘরে-বাইরে সবখানে আতঙ্ক। এমন অবস্থা সিলেটের।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপি নির্ধারিত নিয়ম মানা হচ্ছে সিলেট নগরীতেও। প্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা থাকলেও ঝিমিয়ে সময় কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কয়েকটি রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে নগরীতে। অনুমোদিত কিছু কোম্পানী মালামাল পরিবহন করতে দেখা গেছে।

করোনা সংক্রমণ রোধে সিলেট মহানগর পুলিশ, জেলা পুলিশ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। নগরীতে লোকজন চলাচলে সরকারি বিধি নিষেধ মানতে জনসতেনায় পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সচেতনায় মাইকিং করেছে মহানগর পুলিশ।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে। এছাড়াও পরিচ্ছনায় সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সও নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে জীবানুনাশক পানি ছিটিয়েছে গতরাতে।

নগরীর বিভিন্ন মোড়ে ঘুরে দেখা যায়, লোকসমাগন নেই। মার্কেট, দোকানপাট, চা-স্টল, হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ। ছোটো যানবাহন ছাড়া বড় কোনো যানবাহন চলাচল নেই। বাসায় বসেই সময় কাটাচ্ছেন নগরবাসীরা।

তবে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষজন। বিশেষ করে রিকশাচালক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক, দিনমজুর, ভিক্ষুক ও নিম্ন আয়ের মানুষজন অর্থনৈতিক টানাপোড়নে পড়েছেন। টানা বন্ধ কর্মক্ষেত্র, তাই আয় রোজগারের পথও বন্ধ। কিন্তু সংসার চালাতে প্রতিদিন যারা দিনে রোজগার করে রাতে আহার জোগান, সেসকল মানুষজন পড়েছেন চিন্তায়।

‘আমরা আর কি করুম, না খাইয়া থাকতে হইবো, কামকাজ নাই, মানুষ নাই, রিকশা চলব কেডা? কি আর করুম’- এমনই মন্তব্য করেন নগরীর একজন রিকশাচালক।

সিলেট প্রবাসী অধ্যুষিত হলেও এখানে নিম্ন আয়ের মানুষ অনেক। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সিলেটে আসা রিকশাচালক, দিনমজুর, ভিক্ষুক ও ফুটপাতে বসবাসকারিরা এখন অন্নের জোগারে চিন্তিত। স্থানীয় প্রশাসন, এনজিও ও সামাজিক সংগঠনগুলো এখনো এগিয়ে আসেনি।

এ ব্যাপারে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া ও কমিউনিটি সার্ভিস) জেদান আল মুসা বলেন, আমাদেরকে প্রচার প্রচারণাসহ প্রয়োজনীয় সতর্কতা বিষয়ক কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, দিনমজুর বলতে খেটে খাওয়া মানুষদের বুঝায়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের জন্য বরাদ্ধ আছে।

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top