Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ শাওয়াল ১৪৪১

ওসমানীনগরে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা মহিলার লাশ উদ্ধার

 প্রকাশিত: ২৯, অক্টোবর - ২০১৯ - ০৯:৪০:৩৫ PM

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ওসমানীনগরে এক সন্তানের জননী ও নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধু মায়া বেগম (২৫) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার তাজপুর ইউপির কাদিপুর গ্রামের সাজ্জাদ মিয়ার স্ত্রী ও জগন্নাথপুর উপজেলার জয়দা গ্রামের আনা মিয়ার মেয়ে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় গৃহবধুর স্বামীর বসতঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত মায়া বেগমের স্বামী সজ্জাদ মিয়া (৩৫)কে থানায় নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে মায়া বেগমের স্বামীর বাড়ি থেকে ফোনে নিহতের পিতা ও মামার বাড়িতে জানানো হয় দ্রুত কাদিপুর মায়ার শ্বশুর বাড়িতে আসার জন্য। খবর পেয়ে মায়া বেগমের স্বজনরা মেয়ের বাড়িতে গিয়ে তার নিথর দেহ ঘরের ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষনিক ওসমানীনগর থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে।

নিহত গৃহবধূর মামা কালাম মিয়া বলেন, যৌতুকের জন্য প্রায় সময়ই মায়ার স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে নির্যাতন করত। তার ৫ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে এবং সে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। গত কয়েক দিন পূর্বে তার স্বামীকে আমরা ৪ টি গরু দিয়েছি। যৌতুকের জন্য মায়াকে ওরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাঠক সাজাতে চেয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

গৃহবধূ মায়া বেগমের লাশ উদ্ধার ও সুরতহালকারী এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতরে মৃত দেহ মাটির ভরে নিলডাইন ও ফ্যানের সাথে ঝুলানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবদের জন্য নিহতের স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

ওসমানীনগর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ রাশেদ মোবারক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহতের স্বামী সজ্জাদ মিয়াকে জিজ্ঞাসাবদের জন্য আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়না তদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। তবে গৃহবধুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

Top