Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৩ সফর​ ১৪৪১

শিরোনাম :
বাবার কোলে রেখে ঘুমন্ত তুহিনকে জবাই করে চাচারা || আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে “বঙ্গবীর মানব কল্যাণ সোসাইটি” || বালাগঞ্জে বড়ভাঙ্গা নদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ || ঢাকায় আসবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ || গ্যাস সংযোগ আর পাবেন না, আমরা সিলিন্ডারে যাচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী || ক্রিকেটে বাউন্ডারি সংখ্যায় জয় নির্ধারণের নিয়ম বাতিল || দিরাইয়ে শিশু হত্যা : নিহত শিশুর বাবাসহ পরিবারের ৩ জন জড়িত || বালাগঞ্জের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল ল‌তিফ'র দাফন সম্পন্ন || অটোরিকশায় চড়ে সড়ক পরিদর্শনে রাষ্ট্রপতি || প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছেন আবরারের বাবা-মা ||

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭ বলে ৭ ছক্কা আফগানদের

 প্রকাশিত: ১৪, সেপ্টেম্বর - ২০১৯ - ১০:০৩:৩৮ PM - Revised Edition: 30th April 2019

কূল ডেস্ক :: শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান করতে রীতিমতো নাকানিচুবানি খেতে হয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের। ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল এবং বাংলাদেশের আফিফ হোসেন ধ্রুব। দুজনের ব্যাট থেকেই এসেছিল ঝড়ো ফিফটির ইনিংস।

আজ (শনিবার) আফিফ-বার্লের ব্যাটিং থেকেই যেনো অনুপ্রেরণা নিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। দেখিয়েছে কীভাবে রান করতে হয় মিরপুরের উইকেটেও। শুধুমাত্র তাই নয়, জিম্বাবুয়ের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলাই করেছে আফগান ব্যাটসম্যানরা। আগে ব্যাট করে দাঁড় করিয়েছে ১৯৭ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ।

আফগানিস্তানের এ বিশাল সংগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান দুই মারকুটে ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নবী এবং নাজিবউল্লাহ জাদরানের। এ দুজনের ৪০ বলে ১০৭ রানের জুটিতেই মূলত বিশাল সংগ্রহ পেয়েছে আফগানরা। শেষের ৫ ওভারেই তাদের সংগ্রহে যোগ হয়েছে ৮৮ রান।

এর মধ্যে ইনিংসের ১৭ ও ১৮তম ওভারেই এসেছে ৫১ রান। এ ঝড়ের শুরুটা করেছিলেন মোহাম্মদ নবীই। টেন্ডাই চাতারার করা সে ওভারের শেষের চার বলই তিনি উড়িয়ে পাঠান গ্যালারিতে। ১৬ ওভারে ১২৩ থেকে ১৭ ওভারে ১৪৯ রানে গিয়ে পৌঁছায় আফগানদের ইনিংস।

নবীর দেখাদেখি উত্তাল ব্যাটিংয়ে যোগ দেন নাজিবও। তিনি ঝড় তোলেন নেভিল মাদজিভার বিপক্ষে। ডানহাতি এ পেসারের করা সে ওভারের প্রথম তিন বলকে তিন জায়গা দিয়ে পাঠান গ্যালারিতে। টানা সাত বলে ৭ ছক্কা আসে আফগানদের ইনিংসে।

হয়ত হতে পারতো আরও বেশি। কিন্তু ১৮তম ওভারের চতুর্থ বলটি বিশাল এক ওয়াইড করেন মাদজিভা। যে কারণে মোমেন্টাম হারান নাজিব। তবু সে ওভারের পরের বলেই আবার ওয়াইডিশ থার্ডম্যান দিয়ে বাউন্ডারি মারেন নাজিব। যা অল্পের জন্য ছক্কা হয়নি। ফলে সাত বলে সাত ছক্কারই সাক্ষী হয়ে থাকে মিরপুরের শেরে বাংলা।

শেষপর্যন্ত ৫ চার ও ৬ ছয়ের মারে নাজিব ৩০ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৪টি ছয়ের মারে ১৮ বলে ৩৮ রান করেন নবী।

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top