Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১১ শাওয়াল ১৪৪১

সাগর রুনির ছেলে মেঘকে নিয়ে দ্বন্দ্ব, আদালতে দাদী-নানী

 প্রকাশিত: ০৭, সেপ্টেম্বর - ২০১৯ - ০২:২২:২৪ PM

 

কূল ডেস্ক :: সাংবাদিক দম্পতি মেহেরুন রুনি ও সাগর সরওয়ার দুটি পৃথক বেসরকারি টিভি চ্যানেলের কর্মী থাকা অবস্থায় ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে রাজধানী ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের একটি ফ্ল্যাটে নৃশংসভাবে খুন হন। এ হত্যার চার্জশীট ৭ বছরে না হলেও এবা্র সাগর-রুনির ছেলে মেঘ'র অভিভাবকত্ব নিয়ে দুই পরিবারে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে আদালতের দুয়ারে হাজির হয়েছেন দাদী-নানী। খবর চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের।

মেঘ'র ইস্যুতে অনেকটাই মুখোমুখি সাগর-রুনির দুই পরিবার। মেঘকে নিয়ে এ দুই পরিবারের চলছে শীতল যুদ্ধ।

আদালত সূত্র বলছে, পারিবারিক আদালতে মেঘের নানী ও দাদী মামলা লড়ছেন অভিভাবকত্ব নিয়ে। তবে পারিবারিক আদালতে যত দ্রুত নিষ্পত্তি হবে দুই পরিবারের মামলা, ততই মেঘের জন্য মঙ্গল হবে বলে মনে করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিকে, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ১ অক্টোবর দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অপর আসামিরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সাগর সারওয়ার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক এবং তার স্ত্রী মেহরুন রুনি আরেক বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন।

তখন পুলিশ বলেছিল, গভীর রাতে তাদের নিজ ফ্ল্যাটে হাত-পা বেঁধে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক শীর্ষমহল থেকে শুরু করে সাংবাদিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।আদালতের নির্দেশে দুই বছর আগে (২০১৭ সালের ৩ মার্চ) মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয় একটি প্রতিবেদন জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহম্মদ। এরপর আর কোনো অগ্রগতির প্রতিবেদনও দেয়া হয়নি।

 

এ বিভাগের​ আরও খবর


সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top