Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ জুমাদিউস-সানি ১৪৪১

ওসমানীনগরের অন্ধ হাফিজকে অনুদান দিলেন বালাগঞ্জের মাসুক

 প্রকাশিত: ০৫, সেপ্টেম্বর - ২০১৯ - ০২:১৮:৩০ PM

 
 

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সৌদি আরবস্থ, সিলেট বিভাগ প্রবাসী পরিষদ রিয়াদের সভাপতি, দেওয়ান আব্দুর রহিম হাইস্কুল এন্ড কলেজের আজীবন দাতা সদস্য, আব্দুল আজিজ মাসুক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজকর্মি, শিক্ষানুরাগী আব্দুল আজিজ মাসুক ওসমানীনগর উপজেলার রঘুপুর গ্রামের কিডনীরোগে আক্রান্ত অন্ধ হাফিজ সিরাজুল ইসলামের চিকিৎসার জন্য ৫০হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন।

আব্দুল আজিজ মাসুক আজ বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সৌদি আরব থেকে বালাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. জিল্লুর রহমান জিলু’র সাথে টেলিফোনে আলাপকালে তাঁর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদানের এ ঘোষণা দিয়েছেন। সমাজকর্মী আব্দুল আজিজ মাসুক সুষ্ঠু চিকিৎসার মাধ্যমে হাফিজ সিরাজুল ইসলামের সুস্থতার ব্যাপারে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে সাংবাদিক মো. জিল্লুর রহমান জিলুসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং ব্যক্তিবর্গ যারা তাদের শ্রম এবং অর্থ দিয়ে হাফিজ সিরাজুল ইসলামের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য : সম্প্রতি কয়েক মাস যাবত বিকল হতে চলা দু’টি কিডনী নিয়ে অনাহারে, অর্ধাহারে, দিন কাটছে অন্ধ হাফিজ সিরাজুল ইসলামের। তিনি রোগে, শোকে প্রায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ছেন। অন্ধ হাফিজ সিরাজুল ইসলামের বাড়ি ওসমানীনগর উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের রঘুপুর গ্রামে। নিঃসন্তান এ অন্ধ হাফিজ তার মা ও স্ত্রীকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সম্প্রতি অন্ধ হাফিজ সিরাজুল ইসলামের দুরবস্থা নিয়ে বালাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. জিল্লুর রহমান জিলু’র একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস এবং পরবর্তীতে কুশিয়ারার কূলসহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তিবর্গ তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন এবং প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলে তাঁর মা হাওয়ারুন নেছা জানিয়েছেন।


আলাপকালে হাওয়ারুন নেছা বলেন, অন্ধ হাফিজ সিরাজুল ইসলামের দু’টি কিডনী প্রায় বিকল হয়ে পড়ছে। তিনি আগের মতো আর উঠে দাঁড়াতে পারেন না। ক্লান্ত, দেহমন নিয়ে শুয়ে, বসে সময় কাটছে তাঁর। নামাজ পড়েন বসে বসে। হাওয়ারুন নেছা আরও জানান, তাঁর ছেলে একজন প্রতিবন্ধী (অন্ধ)। আল্লামা নূরউদ্দিন গহরপুরী (রহ.) জীবিত থাকাকালে হাফিজ সিরাজুল ইসলাম গহরপুর মাদরাসায় হিফজ বিভাগে পড়েছেন। হাফিজ সিরাজুল ইসলাম তাঁর প্রতিবন্ধীতা থাকা সত্ত্বেও দূর-দূরান্তে বিভিন্ন ধর্মীয় মাহফিলে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। ২/৩ মাস যাবত তিনি প্রায় শয্যাশায়ী। সংসারের ভরণ-পোষণ আর ছেলের চিকিৎসার ব্যাপারে তিনি বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Top