Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মহররম ১৪৪১

শিরোনাম :
ছাত্রলীগে পদ পেতে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে || ওসমানীনগরে ডিপ্লোমা এন্ড রুরাল ম্যাডিকেল এসোসিয়েশনের মতবিনিময় || ওসমানীনগরে পূজা মন্ডপ কমিটি কর্তৃক ইউএনও বরাবর স্বারকলিপি প্রদান || অদ্ভুত কাহিনি; এক গ্রামের সকল মানুষ ও পশু দৃষ্টিহীন! || জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির যতো অন্যায় || যুবলীগ নেতার ক্যাসিনোতে অভিযান, আটক ১৪২  || আ.লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ১২টি উপকমিটি গঠন || জ্ঞান হারানোর আগে মিন্নির সাথে নয়, রিকশা চালকের সাথে কথা হয় রিফাতের || বালাগঞ্জের বির্ত্তনীয়া প্রাইমারী স্কুলে টিফিন বক্স বিতরণ || যুবলীগ চেয়ারম্যানের বিবৃতি : সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে যুবলীগ ||

শিক্ষক স্বল্পতায় ভোগছে বালাগঞ্জ সরাকারী ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়

 প্রকাশিত: ০৪, সেপ্টেম্বর - ২০১৯ - ০২:৩৪:৩৩ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 
কাজল মিয়া :: ছাত্র-ছাত্রী, ক্লাসরুম, ব্ল্যাকবোর্ড, চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ – সব আছে। শূন্যতা ও ঘাটতি শুধু শিক্ষকের। যেখানে ২৫ জন শিক্ষক থাকার কথা সেখানে আছেন মাত্র ১০জন। স্কুলটির নাম বালাগঞ্জ সরকারি ডি এন উচ্চ বিদ্যালয়।
 
১০ জন শিক্ষকের পক্ষে ৫টি শ্রেণিতে ১১টি শাখার ১১০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান করানো অসম্ভব। এতে করে শিক্ষার গুণগতমান অর্জন তো দূরের কথা নামের শিক্ষাও পাচ্ছে না এখানকার শিক্ষার্থীরা। স্কুলটিতে বালাগঞ্জ ও পার্শবর্তী রাজনগর উপজেলার শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করে ।
 
সরজমিনে দেখা যায়, স্কুল ভবনটি বেশ সুন্দর। স্কুলটিতে কম্পিউটার ল্যাব ২টি, শেখ রাসেল ল্যাব একটি, মাল্টিমিডিয়া ৭টি ক্লাস এবং মুক্তিযোদ্ধা কর্নার রয়েছে ১টি ।
 
স্কুলটির শ্রেণিকক্ষগুলো বেশ সাজানো। প্রতিটা ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রী ভরপুর। ছাত্র-ছাত্রীরা বসে আছে কিন্তু শিক্ষক নেই। নির্মাণ করা হয়েছে নতুন ভবন। বিদ্যালয়টিতে সবই আছে, শুধু নেই শিক্ষক। স্কুলের প্রধান শিক্ষক নেই। কয়েক বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে।
 
১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি ২০১৮ সালে হয়েছে সরকারিকরণ। ২০১৮ জেএসসি তে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮টি কিন্তু ২০১৯ এস এস সি তে জিপিএ ৫ পায় নি একটিও। আর এজন্য শিক্ষক না থাকার প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
 
পাঠদান নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললে স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র মাহবুবুর রহমান নাহিদ বলে, ‘স্যারে পড়া দিয়া অন্য ক্লাসে যাইন। আবার পরে এসে পড়া নেইন। এভাবে আমাদের পড়ান।
 
আর এভাবে করে অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ। ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ১০ জন শিক্ষক পরিশ্রম করে নিয়মিত পড়াচ্ছেন। বর্তমানে তাঁদের ভরসাতেই নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা ।
 
এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন- স্কুল সরকারি হয়েছে কিন্তু এখনো শিক্ষক আত্তীকরণ হয়নি। আত্তীকরণ হয়ে গেলে সরকারিভাবে শিক্ষক দেওয়া হবে। আপাতত কিছুদিন এরকম ভাবে চলবে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন- সরকারি নিয়মে ২৫ জন শিক্ষক থাকা প্রয়োজন । বর্তমানে ১০ জন শিক্ষক আছেন। পাঁচটি শ্রেণিতে ১১টি শাখার মধ্যে প্রায় ১১০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই স্কুলটিতে শিগগির শিক্ষক প্রয়োজন ।

এ বিভাগের​ আরও খবর


সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top