Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ সফর​ ১৪৪১

শিরোনাম :
অভাবনীয় ঘটনা : নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে একটি ভোটও পাননি আলম! || সন্তানকে কোলে রেখেই ছুরির নিচে দেন পিতা || আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে “বঙ্গবীর মানব কল্যাণ সোসাইটি” || বালাগঞ্জে বড়ভাঙ্গা নদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ || ঢাকায় আসবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ || গ্যাস সংযোগ আর পাবেন না, আমরা সিলিন্ডারে যাচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী || ক্রিকেটে বাউন্ডারি সংখ্যায় জয় নির্ধারণের নিয়ম বাতিল || দিরাইয়ে শিশু হত্যা : নিহত শিশুর বাবাসহ পরিবারের ৩ জন জড়িত || বালাগঞ্জের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল ল‌তিফ'র দাফন সম্পন্ন || অটোরিকশায় চড়ে সড়ক পরিদর্শনে রাষ্ট্রপতি ||

বালাগঞ্জে এলজিএসপি’র বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

 প্রকাশিত: ১২, অগাস্ট - ২০১৯ - ০৭:৩১:০১ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 
 

রনিক পাল (বিশেষ প্রতিনিধি) :: সিলেটের বালাগঞ্জে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকটি পুরাতন বেঞ্চ মেরামত ও রং করে পুরো টাকা উত্তোলনের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ লয়লুছ মিয়া বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পৈলনপুর ইউনিয়নের পৈলনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এলজিএসপি (৩) প্রকল্পের আওতায় ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে উন্নয়ন কাজে ১ লক্ষ ১০হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ দেয়া হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন দেবনাথ এবং প্রকল্প সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শিহাব উদ্দিন মিলে বিদ্যালয়ের ১০-১২ জোড়া পুরনো বেঞ্চ মেরামত ও বেঞ্চে রং দিয়ে টাকা উত্তোলনের পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি প্রকল্প সভাপতির বাড়িতে ১০-১২টি পুরনো বেঞ্চ নিয়ে মেরামতের কাজ করে বেঞ্চে রং দেওয়া হয়েছে। উক্ত উন্নয়নমূলক বরাদ্দের টাকা দিয়ে কোন প্রকার উন্নয়ন কাজ না করে টাকা উত্তোলন করার চেষ্টায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ লয়লুছ মিয়া গত ৪ আগস্ট বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
 
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দক্ষিনা রঞ্জন দেবনাথ বলেন, বরাদ্দকৃত টাকা আমার অধীনে আসেনি। আমি ১২ জোড়া বেঞ্চ পেয়েছি। বাকি টাকা রয়েছে কি না আমার জানা নেই।
 
প্রকল্প সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শিহাব উদ্দিন জানান, এলজিএসপি (৩) এর আওতায় বিদ্যালয়ে উন্নয়ন কাজে ১২ জোড়া বেঞ্চ ও একটি স্টিল আলমারী আমি বিদ্যালয়ে প্রদান করেছি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট।

এ বিভাগের​ আরও খবর


সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top