Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ জ্বিলক্বদ ১৪৪০

আনন্দময় দাম্পত্যজীবনের জন্য ১৪ টিপস!

 প্রকাশিত: ১০, জুলাই - ২০১৯ - ০২:৫৮:৫৬ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 

জীবনের এক প্রয়োজনীয় একইসাথে চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্র হলো দাম্পত্যজীবন। ছোট ছোট কয়েকটি টিপস অনুসরণ করলেই এ জীবন হতে পারে অনেক আনন্দময়।

১) বেশিভাগ মেয়েই বিয়ের পর একদম আগাগোড়া বদলে যান, আর সন্তান হবার পর তো সেই পরিবর্তন আরও ভয়াবহ। একেবারেই যেন অন্য মানুষ হয়ে ওঠেন। একটা জিনিস মনে রাখবেন, প্রিয় পুরুষটি কিন্তু বিয়ের আগের আপনাকে দেখেই ভালোবেসেছেন। তাই বিয়ের পর নিজেকে ধরে রাখুন। এতটাও বদলে যাবেন না যে স্বামীর কাছে আপনাকে অচেনা মনে হয়।

২) বিনা কারণে স্বামীকে অযথা সন্দেহ করা বন্ধ করতে হবে বা সন্দেহ করে কথা শোনানো বন্ধ করতে হবে। এই সন্দেহ করার প্রবণতা স্বামীর মনে আপনার প্রতি অনীহা ও অন্য মহিলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে।

৩) স্বামীকে শাসন করার চেষ্টা করা যাবে না। সর্বদা এটা করো সেটা করো বলতে থাকবেন না। তিনি আপনার জীবনসঙ্গী, বাড়ির কাজের লোক নন। অতিরিক্ত শাসন করলে হিতে বীপরিত হতে পারে।

৪) স্বামীকে ভালোবাসায় ঘিরে রাখতে হবে। প্রেমিকার মত ভালবাসতে হবে।

৫) নিজের সংসারকে শান্তির নীড় করে তুলতে হবে, যেন দিন শেষে ঘরে ফিরে আপনার স্বামী খুঁজে পান প্রশান্তি। সংসারে সুখ আছে যেসব পুরুষের, তারা বাইরের দিকে কখোনো আকৃষ্ট হয় না।

৬) একটা কথা মনে রাখবেন, দাম্পত্যের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। যতই হোক ঘনিষ্ঠ বন্ধু/বান্ধবী বা অন্য কেউ কারো কথাই চোখ বুঝে বিশ্বাস করা উচিৎ না ও কাউকে নিজেদের দাম্পত্যে কথা বলার সুযোগ দিতে নেই।

৭) নিজের শ্বশুরবাড়ির সবাইকে ভালবাসতে হবে, সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। মানিয়ে নিতে চেষ্টা করতে হবে। আপনি তাঁর পরিবারকে ভালো না বাসলে এটা খুবই স্বাভাবিক যে স্বামী আপনার প্রতি ভালোবাসা হারিয়ে ফেলবেন।

৮) কখনো এমন কিছু বলবেন না যাতে স্বামীকে অক্ষম বলা হয়। তাঁর মাইনে চাকরি বা অন্য কিছু নিয়ে খোটা দেবেন না। বা এমন বলবেন না।

৯) দাম্পত্যজীবনে অশান্তির একটা বড় কারণ এই অবাস্তব, অলীক প্রত্যাশা। কারণ বাস্তবজীবনে অলীক প্রত্যাশাগুলো যখন বাস্তবায়িত না হয় তখন তা আশাভঙ্গ ও মর্মপীড়ার কারণ হয়। আবার বৈজ্ঞানিকভাবেই এটা এখন প্রমাণিত যে, প্রেমের প্রাথমিক উন্মাদনা ক্ষণস্থায়ী। আপনি যাকেই বিয়ে করেন না কেন, সে কখনোই ১০০% নিখুঁত হবে না। সারাক্ষণ শুধু আপনার চিন্তা করবে না। সুখী হতে হলে আপনাকে তাই বাস্তববাদী হতে হবে।

১০) দাম্পত্যজীবনে সমস্যার একটা অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেরাই যে সমস্যার জন্যে দায়ী। এটা আমরা মেনে নিতে পারি না। আমরা সবসময় মনে করি: আমি ঠিক, আমার স্বামী/ স্ত্রী ভুল। অথবা মনে করি ও আমার প্রতি অন্যায় করছে কিংবা মনে করি যে ও আমাকে বোঝে না। কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে, আরেকজনকে বোঝার জন্যে আমিই আগে উদ্যোগ নিতে পারি।

১১) প্রতিটি মানুষের মতো আপনার স্ত্রী বা স্বামীরও কিছু দোষ-ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা থাকবেই। তার চরিত্রের এমন কিছু দিক থাকবে যা আপনার মনপছন্দ না-ও হতে পারে। এই দিকগুলো আপনি কীভাবে সামলাবেন তার উপরই নির্ভর করবে আপনার দাম্পত্যজীবন কতটা সুখের হবে। ১২) স্বামী/স্ত্রীর ভালো গুণগুলো খুঁজে দেখুন এবং সেগুলোর প্রশংসা করুন।

১৩) অতীত ভুলে যান। স্বামী/স্ত্রীর অতীত ভুলকে মনে রাখবেন না। বর্তমানকে নিয়ে বাঁচুন।

১৪) স্বামী/ স্ত্রীকে কখনো অন্যের সাথে তুলনা করবেন না। বরং অতীতের সাথে তার বর্তমানের অবস্থানকে তুলনা করে দেখুন তার কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে।

এইগুলো মেনে চললেই আপনার সংসারে থাকবে অফুরন্ত শান্তি ও ভালবাসা।

এ বিভাগের​ আরও খবর


সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top