Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ জ্বিলক্বদ ১৪৪০

শিরোনাম :
জিয়াপুর আদর্শ সমাজ কল্যাণ সংস্থার আত্মপ্রকাশ! || হাসিনা-খালেদার পক্ষে তিন নেতার গিলাফ প্রদান! || বালাগঞ্জে মৎস্য সপ্তাহের সমাপনি অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরন সম্পন্ন! || বালাগঞ্জে অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন || ফেঞ্চুগঞ্জের ফটো সাংবাদিক কামাল বাঙ্গালী আর নেই || বালাগঞ্জে আ.লীগ নেতা মতিন চৌধুরীর ইন্তেকাল, জানাজা মঙ্গলবার || ২৮৩ কাউন্সিলরের সিংহভাগই জগদীশ-আজাদের গঠিত কমিটির সদস্য! || অজ্ঞান পার্টি’র খপ্পরে পড়ে বালাগঞ্জের পৈলনপুরের চেয়ারম্যান ‘আইসিইউ’তে || বালাগঞ্জের কলেজ ক্যম্পাস পরিস্কার করলো ছাত্রলীগ! || রফিকুল আলম উপজেলা পর্যায়ে টানা চারবার শ্রেষ্ট শিক্ষক নির্বাচিত ||

ফেঞ্চুগঞ্জ রেল স্টেশনে ভিক্ষুক সেজে সাংবাদিক যা দেখলেন!

 প্রকাশিত: ০৪, জুলাই - ২০১৯ - ০৩:২১:৪৯ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 

কূল ডেস্ক :: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও রেলওয়ে স্টেশন। প্রবাসী অধ্যুষিত ও শিল্পাঞ্চল খ্যাত এই ফেঞ্চুগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশন মাইজগাঁও। এখানে দীর্ঘ দিন থেকে টিকিট কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য চলে আসছে।

যাত্রীদের অভিযোগ ছিল, কাউন্টারে টিকিট পাওয়া যায় না, কাউন্টারে লোক থাকে না। এই সুযোগে কালোবাজারিরা চড়া দামে বিক্রি করে ব্লাক টিকিট। এসব অভিযোগের অনুসন্ধানে গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রতিবেদক ভিক্ষুক বেশে অবস্থান নেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা মাইজগাও রেলওয়ে স্টেশনে।

রাত নয়টা সিলেট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য ছেড়ে আসবে আন্তঃনগর ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস। থামবে মাইজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে। স্টেশনে বিভিন্ন যাত্রীরা টিকেটের জন্য ঘুরাফেরা করছেন কিন্তু টিকিট কাউন্টার খালি। কোন লোকজন নেই। খোঁজ করতে করতে কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা বিজয় লালকে পাওয়া গেল পাশের চায়ের দোকানে টিভিতে খেলা দেখছেন। নোংরা ভূষনে যাত্রীবেশী সাংবাদিক বার বার অনুরোধ করেন কাউন্টারে এসে টিকিট দিতে। কিন্তু তিনি ধমকের সুরে ১০ মিনিট, ৫ মিনিট করে করে সময় ক্ষেপণ করছেন। যাতে করে টিকিট দালালরা টিকিট বিক্রি করতে পারে। এর মধ্যে মধ্য বয়সী একজন এসে বললেন তিনি টিকিট দিতে পারবেন। বাহিরে আসতে।

বাহিরে এসে দেখা গেল দুই জন টিকিট দালাল বিভিন্নভাবে টিকিট বিক্রি করছেন। এর মধ্যে আগামী ৬ জুলাই ঢাকা যাওয়ার টিকিট চাইলে দালাল জানান, টিকিট আছে দেওয়া যাবে দাম হবে ৪০০ টাকা। কিন্তু টিকিট তো ৩২০ টাকা দাম বেশি কেন? দালাল বললেন, এখানে দামদর নাই। আর টিকিট এখান ছাড়া পাবেন না।

দালালের নাম জসিম জানা থাকলেও তিনি নাম বলতে রাজি হলেন না। এরকম চলতে থাকলো। তখনও স্টেশন টিকিট কাউন্টারের চেয়ার শুন্য। যেসব যাত্রীদের যাওয়া জরুরি তারা খালি কাউন্টার দেখে নিরুপায় হয়ে চড়া দামে কিনে বিদায় হলেন। তার পরেই কাউন্টারে আসলেন বিজয় লাল। আশ্চর্যজনক ভাবে উধাও টিকিট দালালরা। যেখানে ছিল বিজয় লালের কোন লাল সংকেত। এরকম যৌথ কলাকৌশলে চলছে মাইজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের কালো টিকিট বানিজ্য।

এ ব্যাপারে মাইজগাঁও রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার শফিউল আলম সিলেটভিউকে বলেন, ঐ সময় আমি ছিলাম না। বিজয় লাল থাকার কথা কিন্তু কেন কাউন্টারে থাকলেন না জানিনা। হয়ত আশপাশে ছিল।

দালালদের ব্যাপারে তিনি বলেন, স্টেশনে কিছু সমস্যা থাকবে। কি করা যায় আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। দালালদের আইনানুগ ব্যবস্থার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি এদের ডেকে এনে শাষিয়ে দিব।


 
সৌজন্যে : সিলেটভিউ২৪ডটকম।

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top