Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ জ্বিলক্বদ ১৪৪০

শিরোনাম :
জিয়াপুর আদর্শ সমাজ কল্যাণ সংস্থার আত্মপ্রকাশ! || হাসিনা-খালেদার পক্ষে তিন নেতার গিলাফ প্রদান! || বালাগঞ্জে মৎস্য সপ্তাহের সমাপনি অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরন সম্পন্ন! || বালাগঞ্জে অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন || ফেঞ্চুগঞ্জের ফটো সাংবাদিক কামাল বাঙ্গালী আর নেই || বালাগঞ্জে আ.লীগ নেতা মতিন চৌধুরীর ইন্তেকাল, জানাজা মঙ্গলবার || ২৮৩ কাউন্সিলরের সিংহভাগই জগদীশ-আজাদের গঠিত কমিটির সদস্য! || অজ্ঞান পার্টি’র খপ্পরে পড়ে বালাগঞ্জের পৈলনপুরের চেয়ারম্যান ‘আইসিইউ’তে || বালাগঞ্জের কলেজ ক্যম্পাস পরিস্কার করলো ছাত্রলীগ! || রফিকুল আলম উপজেলা পর্যায়ে টানা চারবার শ্রেষ্ট শিক্ষক নির্বাচিত ||

সিলেটে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি!

 প্রকাশিত: ২৮, জুন - ২০১৯ - ০৯:১৯:২১ PM - Revised Edition: 30th April 2019

ফাইল ছবি

 
এনামুল কবীর :: আষাঢ়ের মাঝামাঝি এসে সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি ঝরতে শুরু করেছে। ঝরছে উজানে, ভারতের আসাম ও মনিপুর রাজ্যেও। সেই সাথে বাড়তে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি।

কুশিয়ারা এখনো বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও কানাইঘাটে সুরমা ৭৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর জৈন্তাপুরের সারিঘাটে সারি ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে।

সিলেট পানি উন্নয়নবোর্ড জানিয়েছে, সুরমা-কুশিয়ারা, সারি ও লোভাছড়ার পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বাড়তে শুরু করেছে। এরমধ্যে দুটি পয়েন্টে সুরমা ও সারি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। আর কুশিয়ারা এখনো বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও প্রতিটি পয়েন্টে পানি বাড়ছে।

শুক্রবার (২৮ জুন) সকাল ৬টায় কানাইঘাটে সুরমা বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এই পয়েন্টে বিপদসীমা ১২ দশমিক ২৫ মিটার। এই সময় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১২ দশমিক ৮১ মিটার উপর দিয়ে। ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ১ সেন্টিমিটার, ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৮ সেন্টিমিটার ও ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বেড়েছে আরো ৮ সেন্টিমিটার। সবমিলিয়ে ৯ ঘন্টায় বেড়েছে ১৭ সেন্টিমিটার।

সুরমার সিলেট পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি কিন্তু বাড়তেই আছে। এই পয়েন্টে বিপদসীমা ১০ দশমিক ১৫ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ছিল ৯ দশমিক ৬৭ মিটার, ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৭০ মিটার, ১২টায় বেড়েছে আরো প্রায় ২৮ সেন্টিমিটার, বিকেল ৩টায় বেড়েছে আরো ১০ সেন্টিমিটার। ৯ ঘন্টায় এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে প্রায় ৪১ সেন্টিমিটার।

জকিগঞ্জের আমলসিদে কুশিয়ারা এখনো বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি কিন্তু বাড়ছেই। এ পয়েন্টে বিপদসীমা ১৪ দশমিক ৯৫ মিটার। বিকেল ৩টায় পানি ছিল ১৪ দশমিক ১০ মিটার। এর আগে সকাল ৬টায় আমলসিদে পানি ছিল ১৩ দশমিক ৮০ মিটার, ৯টায় ১৩ দশমিক ৮৩ মিটার, ১২টায় ১৩ দশমিক ৯২ মিটার।

শ্যাওলায় কুশিয়ারা ১ দশমিক ২০ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপদসীমা ১২ দশমিক ৫০ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ছিল ১১ দশমিক ২০ মিটার, ৯টায় ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ২৩, ১২টায় বেড়েছে ৩টায় বাড়ে আরো ৩ সেন্টিমিটার, দাঁড়ায় ১১ দশমিক ২৬ এ, পরবর্তী ৩ ঘন্টায় বাড়ে আরো ৪ সেন্টিমিটার। বিকেল ৩টায় পানি ছিল ১১ দশমিক ৩০ মিটার। ৯ ঘন্টায় মোট বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা শেরপুর পয়েন্টেও পানি বাড়ছে। এ পয়েন্টে বিপসদসীমা ৮ দশমিক ০৫ মিটার। শুক্রবার বিকেল ৩টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল বিপদসীমার ৬২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে। তবে ঘন্টায় ঘন্টায় কিন্তু   পানি বাড়ছে। সন্ধ্যা ৬টায় পানি ছিল ৭ দশমিক ৩৩, ৯টায় ৭ দশমিক ৩৭, ১২টায় ৭ দশমিক ৪০ ও বিকেল ৩টায় ছিল ৭ দশমিক ৪৩ মিটার। ৯ ঘন্টায় মোট  বেড়েছে ১৩ সেন্টিমিটার।

এদিকে সারি নদী জৈন্তাপুরের সারি ঘাটে বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে সারির পানি বাড়ছে রীতিমতো আশংকাজনকভাবে। শুক্রবার সকাল ৬টায় বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার  উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। ৯টায় ১২ দশমিক ১৫, ১২টায় ১২ দশমিক ৩০ ও ৩টায় ১২ দশমিক ২৫ মিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
এছাড়া পাহাড়ী নদী লোভাছড়ার পানিও লোভাছড়া পয়েন্টে বাড়ছে।

সৌজন্যে : সিলেটভিউ২৪ডটকম।

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top