Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ জ্বিলক্বদ ১৪৪০

আমেরিকার চেয়ে দারিদ্র্যের হার এক পারসেন্ট হলেও কমাবো: প্রধানমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২৩, জুন - ২০১৯ - ০৪:২৯:৫৩ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 

কূল ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছি। আমাদের লক্ষ্য দারিদ্র্যের হার আরও কমিয়ে আনা।

তিনি বলেন, আমেরিকায় দারিদ্র্যের হার বোধ হয় সতের কি আঠারো শতাংশ। যে করেই হোক তার (আমেরিকা) থেকে এক পারসেন্ট কমালেও আমাকে কমাতে হবে।

রোববার (২৩ জুন) রাজধানীর শাহবাগে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে চলমান ১১০তম, ১১১তম এবং ১১২তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে আমরা দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। এটাই চাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেটা মাথায় রেখেই ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হতদরিদ্রের হার আমাদের ১১ শতাংশ। হতদরিদ্রদের জন্য সেখানে বিশাল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, সহায়তা এমনভাবে দিতে হবে যাতে একেবারে না খেয়ে থাকে কিন্তু কর্মবিমুখ না হয়। না খেয়ে কষ্ট পাবে না কিন্তু কর্ম বিমুখ হতে পারবে না। সবাইকে কাজ করতে হবে সেভাবে, সবাইকে উৎসাহ দিতে হবে, শিক্ষা দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের গৃহীত পদক্ষেপে আজকে আমরা যথেষ্ট দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বাংলাদেশের অপরাজেয় যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে তা যেন থেমে না যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন বলেই আজকে সর্বক্ষেত্রে বাঙালিরাই স্থান করে নিতে পারছে বাঙালিরা যে পারে সেটাই হচ্ছে বড় কথা।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাঙালিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে কারণে আপনারা দেখবেন আওয়ামী লীগ যখন সরকারে আসে তখন কিন্তু দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।

তিনি বলেন, এক সময় ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল। নীতির বিরোধিতা করা হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে আমাদের সরকার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও তখন বিরোধী দল বিএনপি বিরোধিতা করেছিল।

সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু চাকরি করলেই হবে না। একটা দায়িত্ববোধ থেকেই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। জাতির পিতা যে নির্দেশনা সরকারি চাকরিজীবীদের দিয়ে গেছেন তা মান্য করলে দেশ এগিয়ে যাবে।

১১০তম, ১১১তম এবং ১১২তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের প্রশিক্ষনার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জনপ্রশাসন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান, জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর কাজী রওশন আক্তার।

প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে রেক্টর অ্যাওয়ার্ড পাওয়া ২ জন শিক্ষার্থীও বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানে।

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top