Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ জ্বিলক্বদ ১৪৪০

শিরোনাম :
জিয়াপুর আদর্শ সমাজ কল্যাণ সংস্থার আত্মপ্রকাশ! || হাসিনা-খালেদার পক্ষে তিন নেতার গিলাফ প্রদান! || বালাগঞ্জে মৎস্য সপ্তাহের সমাপনি অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরন সম্পন্ন! || বালাগঞ্জে অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন || ফেঞ্চুগঞ্জের ফটো সাংবাদিক কামাল বাঙ্গালী আর নেই || বালাগঞ্জে আ.লীগ নেতা মতিন চৌধুরীর ইন্তেকাল, জানাজা মঙ্গলবার || ২৮৩ কাউন্সিলরের সিংহভাগই জগদীশ-আজাদের গঠিত কমিটির সদস্য! || অজ্ঞান পার্টি’র খপ্পরে পড়ে বালাগঞ্জের পৈলনপুরের চেয়ারম্যান ‘আইসিইউ’তে || বালাগঞ্জের কলেজ ক্যম্পাস পরিস্কার করলো ছাত্রলীগ! || রফিকুল আলম উপজেলা পর্যায়ে টানা চারবার শ্রেষ্ট শিক্ষক নির্বাচিত ||

মায়ের উদ্দেশ্যে ছেলে : ‘বিবাহিত জীবনে সুখী হও মা’

 প্রকাশিত: ১৩, জুন - ২০১৯ - ০৪:২৭:২৬ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 

কূল ডেস্ক :: আমাদের সমাজে কারো ভাগ্যে দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনা ঘটলে এর সমালোচনার শেষ থাকে না। আর বাবা-মা দ্বিতীয় বিয়ে করলে তো ছেলে-মেয়েদের মাঝে এক এর অন্যরকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিন্তু ভারতের কেরালার একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা কোটি মানুষের মনে নাড়া দিয়েছে। দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছেন মা। তাতে কোনো রাগঢাক নেই সন্তানের। সগর্বে ফেসবুকে তা ঘোষণা করলেন ছেলে। জানিয়ে দিলেন, সমাজের তোয়াক্কা করেন না তিনি। কে কী বলবে তা নিয়ে একেবারেই মাথাব্যথা নেই তার। মা খুশি থাকুন, সুখে বিবাহিত জীবন কাটান, শুধু এইটুকুই চান তিনি। গোকুলের পোস্টটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ফেসবুকে নিজের পরিচয় দিয়েছেন- তিনি ভারতের কেরালার কোল্লামের বাসিন্দা গোকুল শ্রীধর। সিপিএম-এর ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের কর্মী।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সেখানেই মায়ের সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্বামীর ছবি পোস্ট করেন তিনি। তবে এই ছবি পোস্ট করা নিয়ে খানিকটা ইতস্ততও বোধ করছিলেন তিনি। নিজেই তা খোলাখুলি জানিয়েছেন।

ফেসবুকে গোকুল লেখেন, ‘আমার মায়ের বিয়ে ছিল। কিছু লেখা ঠিক হবে কিনা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কারণ এখনও বহু মানুষ রয়েছেন, যারা দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক মেনে নিতে পারেন না। তাই অনুরোধ করছি, মনে সন্দেহ, ঘৃণা বা করুণা থাকলে, এই পোস্ট দেখবেন না।’

দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হলেও, শুধুমাত্র তার জন্যই মা মুখ বুজে সব সহ্য করতেন বলে জানান গোকুল। এর জন্য আজও অপরাধ বোধে ভোগেন বলে খোলাখুলি স্বীকারও করে নেন।

তিনি জানান, ‘আমার জন্যই কখনও নিজের পরোয়া করেননি এই মহিলা। সর্বনাশা ওই বিয়েতে কম নির্যাতন সইতে হয়নি তাকে।মার খেয়ে কপাল ফেটে রক্ত ধরে ঝরত। তা সত্ত্বেও মুখ বুজে সব সহ্য করে নিতেন। এক বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেন সব সহ্য করতে? উত্তরটা এখনও কানে বাজে। মা বলেছিল, আমার জন্যই বেঁচে থাকা। তাই সবকিছু সইতে রাজি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘যে দিন মায়ের হাত ধরে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম, তখনই আজকের দিনটার কথা ভেবে নিয়েছিলাম। আমার মায়েরও কিছু স্বপ্ন ছিল, অনেক কিছু জয় করার ছিল, কিন্তু আমার জন্য সব বিসর্জন দেয় মা। মায়ের আত্মত্যাগ বলে বোঝানো যাবে না। তবে মনে হল এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটা লুকিয়ে রাখা উচিত হবে না। বিবাহিত জীবনে সুখী হও মা।’

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top