Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ মহররম ১৪৪১

শিরোনাম :
ছাত্রলীগে পদ পেতে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে || ওসমানীনগরে ডিপ্লোমা এন্ড রুরাল ম্যাডিকেল এসোসিয়েশনের মতবিনিময় || ওসমানীনগরে পূজা মন্ডপ কমিটি কর্তৃক ইউএনও বরাবর স্বারকলিপি প্রদান || অদ্ভুত কাহিনি; এক গ্রামের সকল মানুষ ও পশু দৃষ্টিহীন! || জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির যতো অন্যায় || যুবলীগ নেতার ক্যাসিনোতে অভিযান, আটক ১৪২  || আ.লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ১২টি উপকমিটি গঠন || জ্ঞান হারানোর আগে মিন্নির সাথে নয়, রিকশা চালকের সাথে কথা হয় রিফাতের || বালাগঞ্জের বির্ত্তনীয়া প্রাইমারী স্কুলে টিফিন বক্স বিতরণ || যুবলীগ চেয়ারম্যানের বিবৃতি : সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে যুবলীগ ||

ওসি আখতারের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে এক গৃহিনীর সংবাদ সম্মেলন

 প্রকাশিত: ২১, মে - ২০১৯ - ০৯:৫৬:১০ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 
 

কূল ডেস্ক :: সিলেট সদর উপজেলার খাদিমপাড়ায় এক পরিবারের সদস্যরা একটি কুচক্রি মহলের কাছে অসহায় অবস্থায় দিনযাপন করছে। আর কুচক্রি মহলটির আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছেন সিলেট মেট্টোপলিটন পুলিশের হযরত শাহপরাণ থানার ওসি আক্তার হোসেন বলে অভিযোগ তাদের।

ওসি আক্তার হোসেনের এ অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন সিলেট সদর উপজেলার এক গৃহিনী।

মঙ্গলবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সদর উপজেলার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামের আজমল আলী নেপুর মিয়ার স্ত্রী হারুন বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হারুন বেগম বলেন, অত্যাচারী ওসি আক্তার হোসেনকে অপসারণের দাবিতে এলাকাবাসী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তিনি  মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে দায়ের করা  মামলায় গ্রেফতার করে আমার স্বামীকে জেল হাজতে পাটিয়েদেন।

তিনি বলেন, সিলেট মেট্টোপলিটন পুলিশের হযরত শাহপরাণ থানার ওসি আক্তার হোসেন দীর্ঘদিন থেকে এই থানায় কর্মরত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনিয়ম স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। নিরিহ মানুষকে বারবার হয়রানির অভিযোগও উঠেছে। ইদানিং একের পর এক মামলায় বিপর্যস্ত শাহ্পরাণবাসী। আর এসব মামলার বেশিরভাগই হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে। সম্প্রতি খাদিমপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সালিশ ব্যক্তিত্ব আজমল আলী নেপুর মিয়ার সাথে মুরাদপুর গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর মেয়ে রাসনা বেগমের সাথে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। এক পর্যায়ে গত ১৬ মে  নেপুর মিয়ার ভাতিজা হিফজুর রহমানের সাথে তার প্রতিপক্ষ দৌলত মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এর সাথে নেপুর মিয়া জড়িত ছিলেন না। অথচ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৮ মে হযরত শাহপরাণ থানায় রাসনা বেগম বাদী হয়ে নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় নেপুর মিয়াসহ মোট ৫ জনকে। তিনি মামলায়র অভিযোগে হাত ভাঙ্গাঁ ও মারধরের কথা উল্লেখ করেছেন তা সম্পূর্ণ ভূয়া ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। মামলা দায়ের করার পর নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করার কথা। ঐদিন রাতে নেপুর মিয়া অন্য কাজে থানায় যান। এ সময় শাহপরাণ থানার ওসি আক্তার হোসেন কোন ধরণের তদন্ত বা অনুসন্ধান ছাড়াই রাসনা বেগমকে দিয়ে অভিযোগ লিখিয়ে নেপুর মিয়াকে গ্রেফতার করেন।

হারুন বেগম বলেন, সাধারণ কথা কাটাকাটির জের ধরে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তাকে গ্রেফতার করায় কঠিন দুরবস্থায় দিনযাপন করছি। তদন্ত না করে মামলা গ্রহন করায় এলাকাবাসী ওসি আক্তারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন। ইতিমধ্যে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করা হয়েছে।

তিনি আওয়ামী লীগের নিবেদীত প্রাণ নেতা নেপুর মিয়ার মুক্তি ও ওসি  আক্তারকে অপসারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সিলেটের প্রশাসনের সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।



সৌজন্যে : সিলেটভিউ২৪ডটকম

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top