Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মহররম ১৪৪১

শিরোনাম :
ছাত্রলীগে পদ পেতে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে || ওসমানীনগরে ডিপ্লোমা এন্ড রুরাল ম্যাডিকেল এসোসিয়েশনের মতবিনিময় || ওসমানীনগরে পূজা মন্ডপ কমিটি কর্তৃক ইউএনও বরাবর স্বারকলিপি প্রদান || অদ্ভুত কাহিনি; এক গ্রামের সকল মানুষ ও পশু দৃষ্টিহীন! || জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির যতো অন্যায় || যুবলীগ নেতার ক্যাসিনোতে অভিযান, আটক ১৪২  || আ.লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ১২টি উপকমিটি গঠন || জ্ঞান হারানোর আগে মিন্নির সাথে নয়, রিকশা চালকের সাথে কথা হয় রিফাতের || বালাগঞ্জের বির্ত্তনীয়া প্রাইমারী স্কুলে টিফিন বক্স বিতরণ || যুবলীগ চেয়ারম্যানের বিবৃতি : সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে যুবলীগ ||

মধুর আমার মায়ের হাসি

 প্রকাশিত: ১১, মে - ২০১৯ - ১০:১৯:০০ PM - Revised Edition: 30th April 2019

কূল ডেস্ক :: 'মা' শব্দটি অতি ছোট্ট হলেও এর মতো মধুর শব্দ ত্রিভূবনে নাই।শব্দটির মধ্যে যে আবেগ আর আত্মার সম্পর্ক লুকিয়ে আছে তা পুরোপুরি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। কবি হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা।

দুনিয়ার সব মাকে উৎসর্গ করা একটা দিন মা দিবস। প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়। কেউ বলেন, মাকে ভালোবাসতে আবার দিন লাগে? মা তো মা-ই। বছরের প্রতিটি দিবস মায়ের জন্য হলেও সমস্যা নেই। তবে বছরের একটা দিন যদি মায়ের জন্য বরাদ্দ থাকে, মাকে উপহার দেওয়ার উপলক্ষ যদি দিনটি তৈরি করে দেয়, মা দিবসে যদি দূরে সরে যাওয়া কোনো সন্তান মায়ের কাছে আসে- দিবসটি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই দিনে আমরা দেখতে পারি মায়ের মুখের হাসি। কারণ...মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে।

সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকেই মা যাবতীয় মমতার আধার ও কেন্দ্রবিন্দু। পৃথিবীর ইতিহাসে সব ধর্মই মাকে দিয়েছে মর্যাদাপূর্ণ আসন। মায়ের ভালোবাসায় স্বার্থপরতার স্পর্শ নেই; নেই কোনো প্রত্যাশা-প্রাপ্তির সমীকরণ। তাই মাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানোর নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ নেই। মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রতিদিনের, প্রতি মুহূর্তের, প্রতিক্ষণের। তারপরও বিশ্বের সব মানুষ যাতে একসঙ্গে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারে, সেজন্য মে মাসের দ্বিতীয় রোববার আন্তর্জাতিক মা দিবস পালন করা হয়।

মা দিবস পালনের পিছনে রয়েছে শতবর্ষ পুরনো একটি ইতিহাস। ১৮৭০ সালে মার্কিন সমাজকর্মী এবং গীতিকার জুলিয়া ওয়ার্ড হাও সর্বপ্রথম মা দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। দিবসটির স্বীকৃতির জন্য রাষ্ট্রের কাছে তিনি প্রচুর লেখালেখি করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা জার্ভিস ও তাঁর মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জার্ভিসের উদ্যোগে মা দিবসের সূচনা হয়। ১৯০৮ সালের ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ভার্জিনিয়ার গ্রাফইনের গির্জায় আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালন শুরু হয়। ১৯১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে মা দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশে দিবসটি পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। নাগরিক জীবনে দিনটি পালনের ক্ষেত্রে বেশি সাড়া মিলছে কয়েক বছর থেকে। জাতীয় পর্যায়ে এ দিবসে তেমন কর্মসূচি না থাকলেও রাজধানীতে কিছু সামাজিক সংস্থা ও সংগঠন নানা আয়োজনে দিনটি পালন করে থাকে।

দিবসটি উপলক্ষে ‘রত্নগর্ভা মা-২০১৮’ সম্মাননা দিচ্ছেন আজাদ প্রোডাক্টস্। সম্মাননা পাচ্ছেন দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার অমরেশ রায়ের মা নির্মলা রাণী রায়সহ দু’টি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৫ জন মা। ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ. চৌধুরী সেন্টারে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে সব রত্নগর্ভা মায়ের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হবে।

মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হলে একটি গানের কথা উল্লেখ করতেই হয়। ‘মধুর আমার মায়ের হাসি, চাঁদের মুখে ঝরে,/মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে।/তাঁর ললাটের সিঁদুর নিয়ে ভোরের রবি ওঠে,/ও তাঁর আলতা পরা পা‌য়ের ছোয়ায়, রক্তকমল ফোঁটে।/প্রদীপ হয়ে মোর শিয়রে, কে জেগে রয় দুঃখের ভরে/সেই যে আমার মা,/বিশ্বভুবন মাঝে তাহার নাই কো তুলনা, সেই যে আমার মা।’

সৌজন্যে : পূর্ব-পশ্চিম বিডি।

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top