Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ মহররম ১৪৪১

শিরোনাম :
ছাত্রলীগে পদ পেতে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে || ওসমানীনগরে ডিপ্লোমা এন্ড রুরাল ম্যাডিকেল এসোসিয়েশনের মতবিনিময় || ওসমানীনগরে পূজা মন্ডপ কমিটি কর্তৃক ইউএনও বরাবর স্বারকলিপি প্রদান || অদ্ভুত কাহিনি; এক গ্রামের সকল মানুষ ও পশু দৃষ্টিহীন! || জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির যতো অন্যায় || যুবলীগ নেতার ক্যাসিনোতে অভিযান, আটক ১৪২  || আ.লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ১২টি উপকমিটি গঠন || জ্ঞান হারানোর আগে মিন্নির সাথে নয়, রিকশা চালকের সাথে কথা হয় রিফাতের || বালাগঞ্জের বির্ত্তনীয়া প্রাইমারী স্কুলে টিফিন বক্স বিতরণ || যুবলীগ চেয়ারম্যানের বিবৃতি : সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে যুবলীগ ||

ফিরে দেখা : বিশ্বকাপ ক্রিকেট -১৯৭৫-২০১৫

 প্রকাশিত: ০২, মে - ২০১৯ - ০৯:৩৫:৪৬ PM - Revised Edition: 30th April 2019

 

কূল ডেস্ক :: চার বছর পর আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দ্বাদশতম এ আসর বসছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে। ৩০ মে লন্ডনের ওভালে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে ২০১৯ বিশ্বকাপের। ৩০ মে থেকে শুরু হওয়া এ বিশ্বকাপ ১৪ জুলাই পর্যন্ত পর্যন্ত চলবে।

এ পর্যন্ত আইসিসি ১১টি বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়াও তারা বিশ্বকাপে দুইবার রানার্সআপ হয়।

১৯৭৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কর্তৃক বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথমবারের মতো আয়োজিত প্রতিযোগিতা। ১৯৭৫ সালের ৭ থেকে ২১ জুন তারিখ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ৫টি শহরের ৬টি মাঠে এ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। সর্বমোট ১৫টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮টি দেশ অংশগ্রহণ করে।

প্রতিটি খেলায় এক ইনিংসে ৬০ ওভার খেলা হয়। খেলোয়াড়রা সনাতনী ধাঁচের সাদা পোশাকে মাঠে নামেন। ওই বিশ্বকাপে লাল বল ব্যবহার করা হয়।

১৯৭৫ সালের ২১ জুন লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭ রানে পরাজিত করে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী আসরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন হয়। এ বিশ্বকাপে কাউকে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার প্রদান করা হয় নাই।

১৯৭৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কর্তৃক বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত প্রতিযোগিতা। ১৯৭৯ সালের ৯-২৩ জুন ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি দল ৬০ ওভারব্যাপী ইনিংসে অংশ নেয়। এতে ৮টি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দল অংশগ্রহণ করে।

১৯৭৯ সালের ২৩ জুন লন্ডনের লর্ডসে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে গত আসরের ন্যায় আবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজ অংশগ্রহণ করে। এতে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৯২ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজেরঅধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড প্রুডেন্সিয়াল ট্রফি উত্তোলন করেন। এ বিশ্বকাপে কোনো ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

১৯৮৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আইসিসি আয়োজিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার এটি ৩য় আসর। ১৯৮৩ সালের ৯-২৫ জুন ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি দল ৬০ ওভারব্যাপী ইনিংসে অংশ নেয়। সনাতনী ধাঁচের সাদা পোশাক এবং লাল বল ব্যবহার করা হয়। বিশ্বকাপে ৮টি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দল অংশগ্রহণ করে।

বিশ্বকাপটি বেশ নাটকীয়তায় পরিপূর্ণ ছিল। ভারত এবং জিম্বাবুয়ের ন্যায় দেশগুলো ঐ সময় তেমন ভালো খেলেনি। কিন্তু বিশ্বকাপে তারা যথাক্রমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সকলকে আশ্চর্যান্বিত করেছিল।

১৯৮৩ সালের ২৫ জুন লন্ডন নগরীর লর্ডসে ফাইনালে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে ভারত। ভারতের অধিনায়ক কপিল দেব প্রুডেন্সিয়াল ট্রফি লাভ করেন। তবে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপে কোনো ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয় নাই।

১৯৮৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আইসিসি আয়োজিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার এটি ৪র্থ আসর। ১৯৮৭ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তান যৌথভাবে আয়োজন করে যা প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়। ওভার সংখ্যা কমিয়ে ৬০ থেকে ৫০ এ নিয়ে আসা হয় যা বর্তমান মানদণ্ডে প্রচলিত রয়েছে। মোট ৮ দেশের জাতীয় ক্রিকেট দল অংশগ্রহণ করে।

১৯৮৭ সালের ৮ নভেম্বর কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে অধিনায়ক অ্যালান বর্ডারের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া দল ৭ রানের ব্যবধানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে পরাভূত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় শিরোপা লাভ করে।

প্রতিযোগিতায় কাউকে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার প্রদান করা না হলেও ডেভিড বুন তার ১২৫ বলের বিনিময়ে ৭৫ রানের অসাধারণ ইনিংসের জন্যে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল পরিচালিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এটি ৫ম আসর। প্রতিযোগিতাটি ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে তৎকালীন সময়ে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণকারী ৭টি দলের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা দলটি ছিল নবাগত। বিশ্বকাপের একমাস পর ২২ বছর পর প্রথম টেস্ট খেলার জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করে এবং ১৯৯২ সালের পর জিম্বাবুয়ে তাদের প্রথম টেস্টে অংশ নেয়।

১৯৯২ সালের ২৫ মার্চ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মতো দিন/রাতে অনুষ্ঠিত ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় ইমরান খানের অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ক্রিকেট দল ২২ রানের ব্যবধানে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে পরাভূত করে। এর ফলে দলটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয়।

পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও নিউজিল্যান্ডের মার্টিন ক্রো প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯৬ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আইসিসি পরিচালিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এটি ৬ষ্ঠ আসর। ওই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ তারিখ পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানে দ্বিতীয়বার এবং শ্রীলঙ্কায় প্রথমবারের মতো যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ সালের ১৭ মার্চ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। অর্জুনা রানাতুঙ্গার অধিনায়কত্বে সহ-স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দল ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে শীর্ষসারির দল অস্ট্রেলিয়াকে পরাভূত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় শিরোপা লাভ করে।

অরবিন্দ ডি সিলভা বোলিং ও ব্যাটিং উভয় বিভাগেই অনন্য সাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন সনাথ জয়াসুরিয়া।

১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আইসিসি পরিচালিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এটি ৭ম আসর। ১৯৯৯ সালের ১৪ মে থেকে ২০ জুন পর্যন্ত এ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের ১২টি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দল অংশগ্রহণ করে। নতুন ধরণের সাদা ডিউক ক্রিকেট বল বিশ্বকাপে প্রবর্তন করা হয়।

১৯৯৯ সালের ২০ জুন লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এর ফলে চতুর্থবারের মতো লর্ডস ফাইনাল খেলা আয়োজনের গৌরব লাভ করে। এর পূর্বে ১৯৭৫, ১৯৭৯ ও ১৯৮৩ সালের ফাইনাল খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল একচেটিয়া ফাইনালে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে শীর্ষস্থানীয় পাকিস্তান দলকে পরাভূত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা লাভ করে।

তারকা খেলোয়াড় শেন ওয়ার্ন বোলিংয়ে অনন্য সাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন দক্ষিণ আফ্রিকান খেলোয়াড় ল্যান্স ক্লুজনার। গুজব রটেছিল যে, এ খেলায় অর্থের বিনিময়ে ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে।

২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ৮ম অষ্টম প্রতিযোগিতা এটি। ২০০৩ সালের ৯-২৪ মার্চ এ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাটি দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং কেনিয়ায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের ১৪টি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দল এতে অংশ নেয়।

২০০৩ সালের ২৩ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্নেসবার্গের ওয়ান্ডারারস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল ম্যাচের দিন ভারতের অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি টস জিতে বোলিং-এর সিদ্ধান্ত নেন। এতে অস্ট্রেলিয়া ভারতে ১২৫ রানে হারিয়ে জিতে নেয় তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি। এটা তাদের পর পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি।

পন্টিং ম্যান অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হোন আর ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হোন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান তোলা শচিন টেন্ডুলকার ( ভারত)।

২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আইসিসি পরিচালিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এটি ৯ম আসর। ওয়েস্ট ইন্ডিজে ২০০৭ সালের ১৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই বিশ্বকাপ এপ্রিলের ৮ তারিখে শেষ হয়। মোট ১৬টি দল অংশ নিয়েছিল এ বিশ্বকাপে।

৮ এপ্রিল ফাইনালে বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় অস্ট্রেলিয়া দল শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে অস্ট্রেলিয়া ৫৩ রানে পরাজিত করে চতুর্থবার ও ধারাবাহিকভাবে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয়।

অস্ট্রেলীয় বোলার গ্লেন ম্যাকগ্রা সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান। দেশে ফিরলে দশ সহস্রাধিক সমর্থক অস্ট্রেলিয়াকে উষ্ণ অভিনন্দন জানায়।

২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

এটি আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১০ম প্রতিযোগিতা। বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ফেব্রুয়ারি ও ২ এপ্রিল, ২০১১-এর মধ্যে।উদ্বোধনী খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ বনাম ভারতের মধ্যে ঢাকায় ১৯ ফেব্রুয়ারি শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকায়। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ম্যাচটি খেলা হয়।

ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশে এই বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। এই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজক দেশ হওয়ার সুযোগ পায়। বিশ্বকাপের সব ম্যাচই একদিনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের। চৌদ্দটি জাতীয় ক্রিকেট দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়।

২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হয় ভারত ও শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে ভারত জয়ী হয়। এটি ভারতের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়।

২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫ আইসিসি কর্তৃক পরিচালিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার একাদশ আসর। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড যৌথভাবে আয়োজন করে।

২০১৫ সালের ২৯ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অবস্থিত মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সহঃস্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। খেলায় অস্ট্রলিয়া ৭ উইকেটে বিজয়ী হয় ও উপর্যুপরি পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে।

 

সৌজন্যে : পূর্ব-পশ্চিম বিডি।

এ বিভাগের​ আরও খবর


সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top