Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১১ জ্বিলক্বদ ১৪৪০

'গত এক বছরে বিমানের লোকসান ২০১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা'

 প্রকাশিত: ১০, মার্চ - ২০১৯ - ১০:৩০:৪৫ PM - Revised Edition: 30th April 2019

কূল ডেস্ক :: রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) সালে বিমান থেকে আয় হয়েছে ৪ হাজার ৯৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ১৩৩ কোটি ১১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক অর্থ বছরে বিমানে লোকসান হয়েছে ২০১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বেসরমারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজের প্রশ্নের লিখিত জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী বিগত চার অর্থবছরের বিমানের আয়-ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিমানে আয় ৪ হাজার ৫৫১ কোটি ৫২ লাখ, ব্যয় ৪ হাজার ৫০৪ কোটি ৭৭ লাখ। অর্থাৎ ওই অর্থবছরে ৪৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকায় লাভ হয়। একইভাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪ হাজার ৯৬৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকায় আয় হয়, বিপরীতে ব্যয় হয় ৪ হাজার ৭৩০ কোটি ৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ এ অর্থবছরে লাভ হয়েছে ২৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তার আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আয় ৪ হাজার ৬৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা আয়ে বিপরীতে ব্যয় হয় ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। অর্থাৎ লাভ হয়েছে ২৭৫ কোটি ৯৯ লাখ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিন অর্থবছরে লাভ হলেও গত অর্থবছরে লোকসান করেছে বাংলাদেশ বিমান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে (বিমান) লাভজনক করার লক্ষ্যে নতুন নতুন রুট গন্তব্য চিহ্নিতকরণ এবং বর্তমান লাভজনক রুটে ফ্রিকুয়েন্সি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন গন্তব্য হিসেবে গুয়াংজু, মদিনা, কলম্বো, মালে ইত্যাদি রুটে অদূর ভবিষ্যতে বিমানের সার্ভিস চালু করা হবে। এছাড়া এয়ারক্রাফট ক্রু মেইনটেইনেন্স ইন্সুরেন্স (এসিএমআই) ভিত্তিতে গৃহিত উড়োজাহাজের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত করতে জিটুজি পর্যায়ে কানাডা হতে ৩টি ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ১ আগস্ট চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম উড়োজাহাজ ২০২০ সালের মার্চ মাসে, দ্বিতীয় উড়োজাহাজ একই বছর মে মাসে এবং তৃতীয় উড়োজাহাজ ওই বছরের জুন মাসে সংগ্রহ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উড়োজাহাজ তিনটি চট্টগ্রাম, সিলেট, যশোর, রাজশাহী, সৈয়দপুর, কপবাজার ও বরিশালসহ সাতটি অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে এবং কোলকাতা ও ইয়াংগুন আঞ্চলিক গন্তব্যে চলাচল করবে।

কুশিয়ারার কূল/ইমন শাহ/১০ মার্চ ২০১৯

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top