Diclearation Shil No : 127/12
সিলেট, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ সফর​ ১৪৪১

শিরোনাম :
অভাবনীয় ঘটনা : নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে একটি ভোটও পাননি আলম! || সন্তানকে কোলে রেখেই ছুরির নিচে দেন পিতা || আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে “বঙ্গবীর মানব কল্যাণ সোসাইটি” || বালাগঞ্জে বড়ভাঙ্গা নদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ || ঢাকায় আসবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ || গ্যাস সংযোগ আর পাবেন না, আমরা সিলিন্ডারে যাচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী || ক্রিকেটে বাউন্ডারি সংখ্যায় জয় নির্ধারণের নিয়ম বাতিল || দিরাইয়ে শিশু হত্যা : নিহত শিশুর বাবাসহ পরিবারের ৩ জন জড়িত || বালাগঞ্জের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল ল‌তিফ'র দাফন সম্পন্ন || অটোরিকশায় চড়ে সড়ক পরিদর্শনে রাষ্ট্রপতি ||

বাবার বিরুদ্ধে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ

 প্রকাশিত: ০৬, ফেব্রুয়ারি - ২০১৯ - ০৯:৫৯:৩৪ PM - Revised Edition: 30th April 2019

কূল অনলাইন ডেস্ক :: রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বাবা শাহেদুল ইসলামের (৪৮) বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে রাজধানীর রমনা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করতে যান ওই মেয়ের মা তসলিমা রহমান জুই। রাত ৯টা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

তসলিমা রহমান জুই অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার সকালে শিশুটির বাবা শাহেদুল্লাহই স্কুলে নিয়ে যায়। পরে দুপুরে স্কুল থেকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানানো হয়। শিশুটিকে দ্রুত অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করানো হয়।

তিনি বলেন- বাবাই শিশুকে যৌন নির্যাতন করেছে। এর আগেও একাধিকবার শিশুটির সঙ্গে সে একই কাজ করেছে। ইতোঃপূর্বে হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে।

তিনি বলেন- গত আড়াই বছর আগে স্বামীর সঙ্গে তার তালাক হয়। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন শিশুটির মা। আর খিলগাঁও তিলপাপাড়ায় থাকেন শাহেদুল্লাহ। প্রায়ই শাহেদুল্লাহ তার বাসায় গিয়ে নির্যাতন করত।

শিশুটির বাবা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শাহেদুল ইসলাম দেশ বলেন- ‘আমি শিশুটিকে স্কুলের গেটে নামিয়ে দিয়ে আসি। এরপর আর কিছু জানি না। আমাকে ফাঁসাতেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন- তসলিমা রহমানের সঙ্গে আড়াই বছর আগে তার ডিভোর্স হয়। এক ছেলে ও এক মেয়ে তার কাছেই থাকত। কিন্তু মিথ্যা মামলা করে তসলিমা তাদের নিয়ে আসে। এবারও তাকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

ঢামেক ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের সমন্বয়ক ডা. বিলকিস আক্তার বলেন- ‘বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। শিশুটির ফরেনসিক, রেডিওলজি ও প্যাথলজি টেস্ট করা হয়েছে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।’

এদিকে বুধবার ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার থেকে মামলা করার বিষয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ছাড়পত্রে লেখা হয়, ‘উক্ত শিশুটিকে চিকিৎসা শেষে ওসিসির পুলিশ ও আইনজীবীর অবগতিক্রমে ছাড়পত্র প্রদান করে মামলার জন্য মায়ের সঙ্গে থানায় পাঠানো হয়েছে’।

রমনা থানার ওসি (তদন্ত) জহুরুল ইসলাম বলেন- মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কুশিয়ারার কূল/ইমন শাহ্‌/৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ

Top